قال الامام باقر (ع ) : بنی الاسلام علی خمس : الصلوة و الزکوة و الصوم و الحج و الولایة. کافی ، ج 2، ص 17
ইমাম বাকের (আ.): ইসলামের স্তম্ভ পাঁচটি: নামায, যাকাত, রোজা, হজ্ব ও বেলায়াত। কাফি, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৭।
Share

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কতিপয় খুতবা,স্লোগান ও কথোপকথন (মদীনা থেকে কারবালা পর্যন্ত)-৩য় পর্ব

 

মদীনা থেকে কারবালা : ইমাম হুসাইন (আ.)-এর স্লোগান

সাইয়্যেদুশ্ শুহাদা হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) মদীনা মুনাওয়ারাহ্ থেকে মক্কা মু‘আযযামায় ও সেখান থেকে কুফার পথে কারবালায় পৌঁছা পর্যন্ত বিভিন্ন সময় এবং আশুরার দিনে কারবালার রণাঙ্গনে যে সব ভাষণ দেন ও বক্তব্য রাখেন সে সবের মধ্যে এমন কতকগুলো কথা আছে যা খুবই প্রভাববিস্তারকারী এবং

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কতিপয় খুতবা,স্লোগান ও কথোপকথন (মদীনা থেকে কারবালা পর্যন্ত)-২য় পর্ব

 

আশুরার রাতের ভাষণ

হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) আশুরার রাতে অর্থাৎ ৬১ হিজরির নয়ই মুহররম দিবাগত রাতে কারবালা প্রান্তরে তাঁর সঙ্গীসাথীদের এক জায়গায় সমবেত করেন এবং তাঁদের উদ্দেশে নিম্নোক্ত সংক্ষিপ্ত ভাষণ প্রদান করেন :

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কতিপয় খুতবা,স্লোগান ও কথোপকথন (মদীনা থেকে কারবালা পর্যন্ত)-১ম পর্ব

 

মীনায় মদীনার আলেমদের সাথে বৈঠকে প্রদত্ত ভাষণ

আমীর মু‘আবিয়ার জীবনের শেষ বছরে তথা কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনার এক বছর আগে হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) পবিত্র মক্কা নগরীর পার্শ্ববর্তী মীনায় মদীনার আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। এ বৈঠকে

ইমাম হোসেনের (আ.) আন্দোলনের তাৎপর্য

কারবালায় হযরত ইমাম হোসেনের (রাঃ) শাহাদাত অনন্ত কাল ধরে সত্যসংগ্রামীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তবে তাঁর আন্দোলনের কারণ ও শিক্ষা সম্বন্ধে যুগে যুগে যে সব মূল্যায়ন হয়েছে তার মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। এ সব মূল্যায়নে তাঁর এবং তাঁর সঙ্গীসাথী ও পরিবারের প্রতি ভক্তি,

কারবালা ট্রাজেডির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

o hussain

 

শহীদদের নেতা হযরত ইমাম হোসাইন (আ) বলেন,‘‘যদি মুহাম্মাদ (সা) এর ধর্ম আমার নিহত হওয়া ছাড়া টিকে না থাকে তাহলে,এসো হে তরবারী! নাও আমাকে।’’ নিঃসন্দেহে কারবালার মর্ম বিদারী ঘটনা

হযরত আলী ও ইমামত

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের পর মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়টি ছিল- খেলাফত তথা রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী নিয়ে একটি দল কিছু বিশিষ্ট সাহাবাদের পরামর্শে আবু বকরের খেলাফতকে মেনে নিয়েছিল অপর দলটির দৃঢ় বিশ্বাস রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী তাঁর মনোনয়নের মাধ্যমেই (অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশে) নির্ধারিত হবে আর তিনি হলেন হযরত আলী (আ.) পরবর্তীতে প্রথম দলটি সাধারণ (আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত) এবং দ্বিতীয় দলটি বিশেষ (তাশাইয়্যো বা শিয়া ইছনা আশারী) নামে পরিচিতি লাভ করবে

Developed By: Rashed Hossain Najafi
Hussaini Dalan Imambara | Promote Your Page Too
Ya Hussain A.S